OLD AGE SOLUTIONS

Portal on Technology Initiative for Disabled and Elderly
An Initiative of Ministry of Science & Technology (Govt. of India)
Brought to you by All India Institute of Medical Sciences

শারীরিক স্বাস্থ্য

মানসিক স্বাস্থ্য

পুষ্টি

বুড়ো বয়সে ভাল দৃষ্টিশক্তি

আমাদের বয়স হবার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টি শক্তি কমে যায় এবং ৬০ বছরের উর্দ্ধে প্রায় সকলেই চশমা ব্যবহার করে। আরও কিছু রোগ আছে যা বয়সকালে দৃষ্টি শক্তি নষ্ট করে দেয়। নিয়মিত দৃষ্টির পরীক্ষার মাধ্যমে, সঠিক চশমা, অস্ত্রোপচার, ওষুধ এবং বিশেষ দেখার সহায়ক উপকরণের মাধ্যমে, অধিকাংশ মানুষ ভাল দৃষ্টি শোলটি বজায় রাখতে পারেন এবং সম্পূর্ণ ও স্বাধীন জীবন যাপন করতে পারেন।


নিয়মিত দৃষ্টির পরীক্ষা

দৃষ্টি শক্তির পরীক্ষা শুধুমাত্র চশমার পরীক্ষা নয় বরং কোন ব্যক্তির চোখের সমগ্র পরীক্ষা। যদি নতুন চোখের রোগ হয়ে থাকে থালে দ্রুত তা ধরা পড়বে। তাই নিয়মিত দৃষ্টি পরীক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি দু বছরে অন্তত একবার চোখের পরীক্ষা করানো উচিত এবং দৃষ্টি শক্তির কোন পরিবর্তন হলে আরও নিয়মিত। দৃষ্টি শক্তির পরীক্ষা একটি বিশেষ পরীক্ষা এবং অপথ্যাল্মোলজিস্ট (চোখের ডাক্তার) বা অপ্টোমেট্রিস্ট দ্বারা করা হয়। যদি এই পরীক্ষা কন অস্বাভাবিকতা দেখায় যার আরও চিকিৎসা ও অনুসন্ধান দরকার তাহলে আপনার পারিবারিক চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করুন।


চশমা এবং অন্যান্য কম দৃষ্টির সহায়ক সরঞ্জাম

সবসময়ই সঠিক মাপের চশমা পড়া উচিত। আজকাল পড়ার জন্য রেডিমেড চশমা পাওয়া যায়। যদিও তা কারুর চোখের ক্ষতি করে না, কিন্তু রেডিমেড চসমা ব্যবহার করলে চোখের উপর চাপ পড়ে এবং মাথা ব্যথা করতে পারে। চশমা পরিষ্কার রাখবেন কখনই চশমার কাঁচ মাটিতে রাখবেন না তাহলে দাগ পড়ে যেতে পারে। দাগ পড়লে তা থেকে বিচ্ছুরণ এবং অস্বচ্ছ দৃষ্টি হয়।


দূরবীক্ষণ কোন জিনিসকে বড় দেখায় যা দেখতে গিয়ে হয়তো চোখ খারাপ হয়ে যেতে পারত। যথেষ্ট আলো

৬০ বছর বয়সে যে পরিমাণ আলোর প্রয়োজন তা ২০ বছর বয়সের থেকে ৩ গুণ প্রায়। স্বাভাবিক দিনের আলো বাড়িতে যেন অবাধ প্রবেশ করতে পারে। এবং ইলেকট্রিক লাইটও যেন যথেষ্ট থাকে তা নিশ্চিত করুন, উপরে এবং সিঁড়ির নীচে। পড়া বা খুব কাছ থেকে দেখার জন্য, নিশ্চিত করুন যে আলো যেন কাজ বা বইয়ের উপর পিছন দিক থেকে আসে। ফ্লূরোসেন্ট আলো খুব কাজের যেহেতু খুব কম উষ্ণতায় অনেকটা আলো দেয়।


চোখ খারাপ হবার কারণ

বিশেষ কিছু চোখের অবস্থা দৃষ্টিশক্তি আরও খারাপ করে। এগুলি হলঃ

ছানি

এই অবস্থায় কোন ব্যক্তির স্বাভাবিক লেন্স অস্বচ্ছ হয়ে পড়ে। এবং ধীরে ধীরে চোখ খারাপ হতে থাকে ব্যথা ছাড়া। প্রথম দিকে চশমা পড়ে সামলে নেওয়া যায় কিন্তু ধীরে ধীরে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়ে। ছানির অস্ত্রোপচারে অস্বচ্ছ লেন্সটি সরিয়ে নেওয়া হয়। দৃষ্টি শক্তি ফিরে পাওয়া যায় প্লাটিকের চোখের ভিতরের লেন্স ঢুকিয়ে বা চশমা নিয়ে।


ডাইবেটিক রেটিনোথেরাপি

ডাইবেটিসের রোগীদের রেটিনায় পরিবর্তন হয় ফলে দৃষ্টি শক্তি নষ্ট হতে পারে। এই পরিবর্তনগুলি সাধারণত পরিবর্তনশীল নয়। আজকাল দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হওয়া সারানো যায় লেজার চিকিৎসার মাধ্যমে, যদি অবস্থা আগে থেকে জানা যায়।


গ্লুকোমা

গ্লুকোমা চোখ নষ্ট হবার আরেকটি কারণ যেখানে চোখের ভিতরের চাপ বেড়ে যায়। আগে থেকে চিহ্নিত করলে এবং সময়ে চিকিৎসা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যে সকল ব্যক্তির পারিবারিক গ্লুকোমার ইতিহাস আচে এবং ৪০ বছরের বেশী বয় তাদের গ্লুকোমার জন্য নিয়মিত পরীক্ষা করা দরকার।


বয়স সম্পর্কিত রেটিনার মধ্যভাগের ক্ষয় হওয়া

ম্যাকুলা হল রেটিনার মাঝের অংশ। বয়সকালে ম্যাকুলা নষ্ট হতে থাকে ফলে দৃষ্টিশক্তির হানি হতে থাকে যা কখনো কখনো খুব দ্রুত ও গুরুতর হয়। কিছু ক্ষেত্রে লেজার থেরাপি প্রয়োজন এবং তা কিছুটা কাজের হয়। অন্য ক্ষেত্রে চশমা, কম দৃষ্টির সহায়ক, তাজা ফল ও সবজিওলা স্বাস্থ্যকর ডায়েট, সরাসরি সূর্যালোকে না যাওয়া এবং ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের পরিপূরক খাওয়া সহায়ক হয়।

এর মধ্যে কিছু অসুখ চিকিৎসায় সারে। চিকিৎসা যদি কার্যকরী না হয় বা না পাওয়া যায় তাহলেও দৃষ্টি শক্তি বজায় রাখা যায়। শুধুমাত্র খুব কম সংখ্যক ব্যক্তিই একেবারে দেখতে পান না; যদিও যে সকল ব্যক্তি অন্ধ হিসাবে পঞ্জীকৃত তাদের কিছুটা দৃষ্টি শক্তি থাকে এবং ঘরের ভিতরে ও বাইরে সুরক্ষিত ভাবে চলাফেরা করতে শিখে যায় যাতে তারা দোকানে যাওয়া, রান্না করা সংসার চালানো সামাজিক এবং উদ্দীপক ক্রিয়াকলাপে অংশ নেওয়া এগুলি করতে পারে। যদি কারুর দৃষ্টি শক্তি কমে গিয়ে থাকে তাহলে ঘরের আলো বাড়িয়ে দেওয়া জরুরী এবং কম দৃষ্টির সহায়ক সরঞ্জামগুলি সহায়ক হয়।

  Copyright 2015-AIIMS. All Rights reserved Visitor No. - Website Hit Counter Powered by VMC Management Consulting Pvt. Ltd.