OLD AGE SOLUTIONS

Portal on Technology Initiative for Disabled and Elderly
An Initiative of Ministry of Science & Technology (Govt. of India)
Brought to you by All India Institute of Medical Sciences

শারীরিক স্বাস্থ্য

মানসিক স্বাস্থ্য

পুষ্টি

কোষ্ঠ্যকাঠিন্য

মল ত্যাগের পরিমাণ ব্যক্তিবিশেষে ভিন্ন ভিন্ন হয়। মল ত্যাগের নিয়মিততা কমে যাওয়ার সঙ্গে মলত্যাগে কষ্ট ও দেরী, বা অসম্পূর্ণ নিষ্কাশনকে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য বলে। বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য ঘন ঘন দেখা যায়। কম বয়সীদের থেকে ৫ গুণ বেশী তারা কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, সম্ভবত মল ত্যাগের বিষয়ে অযাচিত চিন্তার ফলেই হয়।

কোষ্ঠ্যকাঠিন্য হয় বিভিন্ন কারণে। তার মধ্যে ক্ষুদ্রান্ত্রের গঠনগত অস্বাভাবিকতা হল সব থেকে বড় কারণ। বয়সকালে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার বাদ দেবার উপর জোর দেওয়া হয়। সৌভাগ্যবশত, অধিকাংশ রোগী যারা কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের অভিযোগ করেন তাদের লক্ষণ ব্যাখ্যা করার মতো কারণ খুব প্রকট নয়, সব থেকে বেশী হয় ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোমে বা মোতালিটি ডিসর্ডার অফ এ লার্জ গাট। অন্যান্য গুরুতপূর্ণ কারণ হল ওষুধ, ব্যায়াম না করা, যথেষ্ট খাদ্যতন্তু ও তরল না খাওয়া এবং রেচকের উপর অতিরিক্ত ভরসা করা।

অন্য কোন অবস্থার জন্য ওষুধ যেমন অ্যান্টাসিড, অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট, অ্যান্টিথিস্ট্যামিন্স, ডাইউরেটিকস, পার্কিন্সন্স অসুখ, রক্তচাপের ওষুধ, পেশী শিথিলকারী এবং নেশা কারী ওষুধ কিছু ব্যক্তির মধ্যে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য সৃষ্টি করতে পারে। কম সবজি, ফল এবং পূর্ণ তন্তু ও বেশী ডিম, মাংস এবং দুধ বা দুগ্ধজাত পদার্থ খেলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য হতে পারে। এ ছাড়াও, যথেষ্ট খাবার না খেয়ে নরম খাবার খেলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য খারাপ হতে পারে।

দুর্ঘটনা বা অসুস্থতা থেকে দীর্ঘকালিন শয্যা এবং মলত্যাগের প্রাকৃতিক ডাক অগ্রাহ্য করলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য হতে পারে। নতুন লক্ষণের চিকিৎসার সময় আপনি আরও গুরুতর সমস্যার কথা ছেড়ে দেওয়া নিয়ে ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করুন। যদি পরিকাঠামোগত কোন অস্বাভাবিকতা না থাকে


তাহলে নিম্নলিখিত ব্যবস্থা সহায়ক হতে পারেঃ
  • বেশী করে তাজা ফল ও সবজি খান, এবং পূর্ণদানা শস্য ও রুটি। মিষ্টি এবং ফ্যাটজাত খাবার কম খান।
  • প্রচুর তরল খান (৬ থেকে ৮ জাগ) যদি না আপনার হৃৎপিণ্ডের, সঞ্চালন বা বৃক্কের সমস্যা থাকে। খুব বেশী দুধ খেলেও কোষ্ঠ্যকাঠিন্য হতে পারে।
  • শারীরিক পরিশ্রম বাড়ান।
  • নিয়মিত মল ত্যাগের অভ্যাস তৈরী করুন কিছু সময় টয়লেটে প্রতিদিন একই সময়ে কাটিয়ে।
  • সম্ভব হলে রেচক ওষুধ নেওয়া এড়িয়ে যান এবং অ্যান্টাসিড কম খান।
  Copyright 2015-AIIMS. All Rights reserved Visitor No. - Website Hit Counter Powered by VMC Management Consulting Pvt. Ltd.