OLD AGE SOLUTIONS

Portal on Technology Initiative for Disabled and Elderly
An Initiative of Ministry of Science & Technology (Govt. of India)
Brought to you by All India Institute of Medical Sciences

শারীরিক স্বাস্থ্য

মানসিক স্বাস্থ্য

পুষ্টি

মধুমেহ

  • ডাইবেটিস মেলিটাস একটি রোগ যাতে আমাদের শরীর খাদ্যের শর্করা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেনা ও তাকে শক্তিতে পরিবর্তিত করতে পারে না।
  • যখন আমরা মিষ্টি বা সিরিয়াল খাই, আমাদের শরীর তাকে গ্লুকোজে রূপান্তরিত করে। গ্লুকোজ রক্তনালিকা দিয়ে তৎক্ষণাৎ ব্যবহারের জন্য পরিবাহিত হয় অথবা যকৃতে গ্লাইকোজেন হিসাবে জমা হয় ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য। ডাইবেটিসের ক্ষেত্রে, গ্লুকোজের নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা রক্তে সঠিকভাবে কাজ করে না। ফলে গ্লুকোজ স্তর বেড়ে যায়, অসুবিধার সৃষ্টি করে এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গ ধ্বংস পর্যন্ত করে ফেলে
  • এই গ্লুকোজ জমা ঘটে যদি শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ ইনসুলিন (অগ্নাশয় নিঃসৃত একটি হর্মোন যা রক্তে গ্লুকোজ স্তর নিয়ন্ত্রণ করে) না থাকে বা যদি ইনসুলিন শারীরিক কোষগুলির উপর কার্যকরী না হয়।
  • ডাইবেটিস সাধারণত পারিবারিক রোগ কিন্তু বংশক্রম ছাড়াও অন্য কারণ এর জন্য দায়ী। যেমন অতিরিক্ত স্থূল হয়ে গেলে ডাইবেটিস হতে পারে বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে।
  • প্রধানত দুই ধরণের ডাইবেটিস আছে। টাইপ ১ বা ইনসুলিন নির্ভর ডাইবেটিস যা গুরুতর অসুখ, এবং সাধারণত শৈশব বা কৈশোর থেকেই শুরু হয়। এর জন্য জীবন ভর চিকিৎসার প্রয়োজন হয় ব্যায়াম এবং নিয়ন্ত্রিত ডায়েটের সঙ্গে।
  • কিন্তু সব থেকে বেশী যে ডাইবেটিস হয় এবং যা বয়স্ক ব্যক্তিদের প্রভাবিত করে তা হল টাইপ ২ বা ইনসুলিন অনির্ভর ডাইবেটিস।
  • সাম্প্রতিক গবেষণা দেখাচ্ছে স্বাভাবিকভাবেই বয়সের সঙ্গে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়।
  • অধিকাংশ টাইপ ২ ডাইবেটিস রোগীদের ইনসুলিন ইনজেকশনের প্রয়োজন হয় না। তারা রক্তে গ্লুকোজের স্তর স্বাভাবিক রাখতে পারে নিজেদের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যায়াম করে এবং একটি সঠিক ডায়েট মেনে বা অ্যান্টি ডাইবেটিস ওষুধ খেয়ে।
  • ডাইবেটিসগ্রস্ত ব্যক্তিদের দুর্বলতা বোধ হতে পারে এবং লক্ষ্মণ যেমন অতিরিক্ত তেষ্টা, বার বার মূত্রত্যাগ, ওজন কমে যাওয়া, ক্লান্তি, ঝাপ্সা দৃষ্টি, ত্বকের সংক্রমণ বা চুলকানি এবং কাটা এবং ছেঁড়ার ধীরে ধীরে সারা ইত্যাদি প্রকট হয়। এই সমস্যত সমস্যতা তৎক্ষণাৎ ডাক্তারকে জানানো দরকার, যিনি হয়তো মুত্রে বা রক্তে শর্করার পরিমাণ পেতেপারেন। কখনো কখনো কোন লক্ষণ নাও থাকতে পারে এবং অসুখ শুধুমাত্র রুটিন পরীক্ষার সময় ধরা পরতে পারে।
  • বহু দীর্ঘস্থায়ী অসুবিধা আছে যেমন স্ট্রোক, অন্ধত্ব, হৃদরোগ, বিফল বৃক, গ্যাংগ্রীন এবং স্নায়ুর ক্ষতি যা ডাইবেটিস থেকে হতে পারে। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে সঠিক রক্তে শর্করার সত্র নিয়ন্ত্রণ এই সমস্ত সমস্যা রোধে বা কম করতে সাহায্য করবে।
  • রক্তে গ্লুকোজের স্তর হয় বেশী বা কম হলে গুরুতর নিদানিক অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। ডাইবেটিস রোগীরা কোমাতে চলে যেতে পারেন যদি তাদের রক্তে শর্করাস্তর খুব বেড়ে বা কমে গেলে। যে সকল ব্যক্তির ডাইবেটিস আছে তারা অবশ্যই সতর্কতা লক্ষ্মণ জানবেন এবং করণীয় সম্পর্কে জ্ঞাত থাকবেন।
  • ডাইবেটিস সারানো যায় না কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সঠিক নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন সুখাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম এবং প্রয়োজনে ইনসুলিন বা মৌখিক ওষুধ
  • ডায়েট পরিকল্পনা খুব গুরুত্বপূর্ণ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কম করতে। ডায়েট পরিকল্পনা করার সময় ডাক্তাররা রোগীদের ওজন এবং তাদের দৈনন্দিন শারীরিক কার্য মাথায় রাখেন। স্থূল ব্যক্তিদের জন্য, ওজন কম করার পরিকল্পনা জরুরী সঠিক গ্লুকোজ স্তর পাবার জন্য।
  • ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি শরীরকে অতিরিক্ত গ্লুকোজ শক্তিরূপে ব্যবহার করতে সাহায্য করে। একজন ডাক্তার ব্যায়ামের পরিকল্পনা করতে এবং তা ডায়েট ও ওষুধ গ্রহণের প্রয়োজনের সঙ্গে মেলাতে সাহায্য করতে পারেন। নিয়মিত হওয়া জরুরী, প্রতিদিন সম পরিমাণ ব্যায়াম।
  • ওষুধ (ইনসুলিন ইনজেকশন বা মৌখিক ট্যাবলেট) প্রয়োজন যখন শুধু ব্যায়াম এবং সুখাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। কখনো কখনো রোগী যারা ওষুধ ছাড়াই কাজ চালান তাদের কম সময়ের জন্য ওষুধ দরকার।
  • ডাইবেটিস গ্রস্ত ব্যক্তিদের সঠিক পায়ের যত্নের প্রয়োজন, যে হেতু ডাইবেটিসের ফলে পায়ের রক্ত সঞ্চালন কমে যায় এবং পায়ের অনুভূতি কমে যায়। ডাইবেটিস রোগীরা পা দেখাবে কাটা, ফোঁড়া, সংক্রমণ, ত্বক ভেঙ্গে যাওয়া, কলাসের গঠন ডাক্তারদের, এই ঘটনাগুলি ঘটলে তৎক্ষণাৎ
  • ডাইবেটিস রোগীদের সংক্রমণ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তারা অবশ্যই নিজেদের ত্বককে আঘাতের হাত থেকে রক্ষা করবেন, পরিষ্কার রাখবেন, ত্বক নরম রাখবেন এবং ছোটখাট কাটা ছেঁড়াতে ব্যবস্থা নেবেন। ডাইবেটিস থেকে অন্ধত্ব হতে পারে বয়সকালে এবং এটি শুধুমাত্র বছরে একবার চোখ দেখানে ঠিক রাহা সমভাব।
  Copyright 2015-AIIMS. All Rights reserved Visitor No. - Website Hit Counter Powered by VMC Management Consulting Pvt. Ltd.