OLD AGE SOLUTIONS

Portal on Technology Initiative for Disabled and Elderly
An Initiative of Ministry of Science & Technology (Govt. of India)
Brought to you by All India Institute of Medical Sciences

শারীরিক স্বাস্থ্য

মানসিক স্বাস্থ্য

পুষ্টি

স্বাস্থ্যকর খাওয়া


স্বাস্থ্যকর খাওয়া যে কোন বয়সের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি ভাল করে খান, তাহলে অবশ্যই সুস্থ বোধ করবেন, কর্মঠ থাকবেন এবং নিজেকে রোগের হাত থেকে রক্ষা করবেন। নিয়মিত মিল ও স্ন্যাক্স খাওয়া সুঅভ্যাস। আপনি যদি নিয়মিত মিল নিতে ভুলে যান বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খান, তাহলে হয়তো ক্লান্তি ও অবসাদ বোধ করবেন। আপনি সব সময় খাবেনঃ ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, চা এবং সান্ধ্য ডিনার। ভাল থাকার জন্য নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর অর্থ দিনে তিনটি মিল এবং একটি স্ন্যাক্স। মিল নিতে না পারলে আপনি কিছু সাধারণ স্ন্যাক্স খেতে পারেন দিনের বেলায়।


সুখাদ্য নির্দেশিকা

এবারে দেখা যাক আপনি কি খান এবং হয়তো কিছু পরিবর্তন করলে ভাল হবে। নীচে দৈনিক কিছু খাবার নির্দেশিকা দেওয়া হলঃ


  • দুধ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত খাদ্যঃ তিনবার দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার প্রতিদিন খাবেন। এই সমস্ত খাদ্যে ক্যালসিয়াম থাকে যা আপনার হাড়কে শক্ত করে।
  • মাংস, মুরগি, মাছ, চীজ, ডিম, বিন্স, মুসুর, ডাল এবং বাদামঃ এই সকল খাদ্যের প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। প্রতি দিন মিলের সঙ্গে যে কোন দুটি প্রোটিন জাত পদার্থের একটি করে সার্ভিং খাবেন।
  • ফলঃ প্রতিদিন অন্তত একটি তাজা ফল খেতে চেষ্টা করুন।
  • সবজিঃ মানব শরীরের তন্তুর সর্বোত্তম উৎস এবং আপনার সবজিতে বিভিন্নতা আনে। অন্তত তিনটি সবজির সার্ভিং প্রতিদিন খাবার চেষ্টা করুন।
  • রুটি, সিরিয়ালঃ প্রতি মিলের সঙ্গে রুটি, সিরিয়াল, ভাত বা চাপাটি খাবার চেষ্টা করুন। এই সব খাদ্যও, তরলের সঙ্গে মিলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করতে পারে। এ ছাড়াও এগুলি শক্তি, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে ভরপুর।
  • মাখন এবং ভোজ্য ফ্যাটঃ মাখন ও ভোজ্য ফ্যাট আমাদের শক্তি যোগায় এবং খাদ্যের স্বাদ বাড়ায়, কিন্তু এগুলি কম ব্যবহার করুন যদি ওজন সঠিক রাখতে চান, কারণে এতে উচ্চ ক্যালোরি আছে। উদ্ভিজ তেল যথা সূর্যমূখী তেল সামান্য পরিমাণে ব্যবহার করুন।
  • বিস্কুট এবং মিষ্টিঃ এগুলি উপভোগ্য খাদ্যও, কিন্তু বেশী খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। এছাড়াও এগুলি বেশ দামী।
  • পানীয়ঃ অন্তত ছয় থেকে আট জাগ ভর্তি চা, কফি, ফলের রস, দুধ এবং জল প্রতিদিন খাবেন।
  • নিরামিষ খাদ্য আমিষ খাদ্যের মতই জীবন যাপনের সুপন্থা।
  • আপনি যদি চেষ্টা না করেই ওজন কমাচ্ছেন তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
  • বয়স হলে খাবার খেতে ভাল নাও লাগতে পারে।
  • একসঙ্গে বসে খেলে খাবার উপভোগ করা বেড়ে যায়।

চারটি খাদ্যসংক্রান্ত নিয়মঃ
  • সবকিছুর একটু একটু করে খান এবং কোন কিছুর বেশী খাবেন না।
  • এমন কোন খাবার নেই যা খেতেই হবে। যদি কিছু খেতে পছন্দ না হয় তাহলে সমান পুষ্টিকর অন্যকিছু খান।
  • কিছু খাবার আপনার জন্য অন্যের থেকে ভাল। সেই সব খাবার যা দামের তুলনায় কিছুই পুষ্টি দেয় না তা বর্জন করার চেষ্টা করুন।
  • দৈনন্দিন অন্তত ছয় থেকে আট জাগ তরল পান করার চেষ্টা করুন তেষ্টা না পেলেও।

আপনি যদি উপরিল্লিখিত চারটি খাদ্য নিয়ম এবং সুখাদ্য নির্দেশিকা মেনে চলেন, নিরামিষ খাদ্য সম্ভবত আমিষ খাদ্যের মতই ভাল। আপনার খিদে যদি কম পায় এবং ধীরে ধীরে ওজন কম হচ্ছে, তাহলে ডাক্তার দেখান। মাঝে সাঝে মিল না খেলে হয়ত কোন ক্ষতি হয় না যদি যথেষ্ট পানীয় পান করছেন। বয়স হলে খেতে ইচ্ছে নাও হতে পারে। একসঙ্গে খেলে খাদ্যের উপভোগ্যতা বাড়ে।

  Copyright 2015-AIIMS. All Rights reserved Visitor No. - Website Hit Counter Powered by VMC Management Consulting Pvt. Ltd.