OLD AGE SOLUTIONS

Portal on Technology Initiative for Disabled and Elderly
An Initiative of Ministry of Science & Technology (Govt. of India)
Brought to you by All India Institute of Medical Sciences

শারীরিক স্বাস্থ্য

মানসিক স্বাস্থ্য

পুষ্টি

উচ্চ রক্ত চাপ

  • উচ্চ রক্তচাপ সাধারণত কোন লক্ষণ সৃষ্টি করে না কিন্তু তা থেকে তৈরী জটিলতা সৃষ্টি করে। তাই আশ্চর্য হবেন না যদি আপনার ডাক্তার বলেন যে আপনার উচ্চ রক্ত চাপ আছে কিন্তু আপনি নিজে বুঝতে না পারেন।
  • যখন হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত রক্তনালিকার মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়, তখন রক্তনালিকের দেওয়ালগুলিতে চাপের সৃষ্টি হয়। আপনার রক্তচাপ এই চাপের পরিমাপ।
  • রক্তচাপের পরিমাপ দুটি সংখ্যায় করা হয়, যেমন ১২০/৮০, যাকে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গড় রক্তচাপের পরিমাপ ধরা হয়। যদিও সামান্য বেশী বা কম পরিমাপ (দুটি সংখ্যার যে কোনটির ক্ষেত্রে) অস্বাভাবিক নাও হতে পারে।
  • ১৪০/৯০এর উপরের রক্ত চাপ পরিমাপ উচ্চ বলে ধরা হয়। উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসাগত পরিভাষা হল হাইপারটেনশন। ৬০ বছরের উর্ধে ৪০ থেকে ৫০% ব্যক্তির হাইপারটেনশন আছে বলে মনে করা হয়।
  • এই অসুখ এতটাই স্বাভাবিক যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই ৬ মাস অন্তর রক্তচাপ পরীক্ষা করানো উচিত।
  • যদিও হাইপারটেনশন কিছু ক্ষেত্রে অন্য রগ থেকে হয়, সেগুলি খুবই কম। এই ধরণের হাইপারটেনশনকে মাধ্যমিক হাইপারটেনশন বলা হয় যা মূল সমস্যার চিকিৎসায় সেরে যায়।
  • অধিকাংশ হাইপারটেনশনের ক্ষেত্রে কোন বিশেষ কারণ থাকে না তাই সারানো না গেলেও নিয়মিত চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
  • উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে প্রভূত ঝুঁকির কারণ রয়েছে। এর মধ্যে পরে পারিবারিক ইতিহাস, ধূমপান, স্থূলতা, মদ্যপান এবং অতিরিক্ত সোডিয়াম (সাধারণ নুন) গ্রহণ এবং সঙ্গে প্রয়োজনের কম পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম গ্রহণ।
  • উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে প্রভূত ঝুঁকির কারণ রয়েছে। এর মধ্যে পরে পারিবারিক ইতিহাস, ধূমপান, স্থূলতা, মদ্যপান এবং অতিরিক্ত সোডিয়াম (সাধারণ নুন) গ্রহণ এবং সঙ্গে প্রয়োজনের কম পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম গ্রহণ।
  • উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা সারা জীবন চলে যদিও ওষুধের মাত্রা কম করা যেতে পারে। কিছু মানুষ বিষাস করেন যে রক্তচাপ একবার কমালে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।
  • হাল্কা হাইপারটেনশনের ক্ষেত্রে আপনার ডাক্তার হয়তো ওজন কমাতে, কম নুন খেতে এবং বেশী করে ব্যায়াম করার পরামর্শ দেবেন। আপনার রক্তচাপ কম করা যায় শুধুমাত্র কিছু দৈনিক অভ্যাসে পরিবর্তন করে। এই সক, পরিবর্ত্ন ওষুধ নেবার সময় প্রয়োজন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য। এই সকল পরিবর্তন আপনার ওষুধের ভালভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।

রক্তচাপের ওষুধ
  • আপনার চিকিৎসক বিভিন্ন ওষুধ নিতে বলতে পারেন। আপনাকে দীর্ঘকালীন ওষুধের চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হলে চিন্তিত হবেন না বা ভয় পাবেন না। মাঝে সাঝে কম মাত্রার ওষুধ নিলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • রক্তচাপের বিভিন্ন ধরণের ওষুধ আছে। যেগুলো বহুল ব্যবহৃত সেগুলি শরীর থেকে জল ও নুন সরিয়ে দেয় (ডাইউরেটিক্স) এবং যেগুলি ছোট হয়ে যাওয়া রক্ত নালিকাগুলির মুখ খুলে দেয় (বিটা ব্লকার, এস ব্লকার, ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার)।
  • সমস্ত ওষুধের মতই রক্তচাপের ওষুধের অনেক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। যার মধ্যে পড়েঃ দুর্বলতা, ক্লান্তি, পায়ে ক্র্যাম্প, পুরুষত্বহীনতা, হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, অবসাদ, ঘুমোতে অসুবিধা, ধীরে বা দ্রুত হৃদস্পন্দন, ত্বকে র‍্যাশ, স্বাদ না লাগা, শুকনো কাশি, গোড়ালি ফুলে যাওয়া, মাথা ব্যথা বা মাথা ঘোরা এবং কোষ্ঠ্যকাঠিন্য। আপনি অবশ্যই এই সকল লক্ষণের বিষয়ে সতর্ক থাকবেন এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।

উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে যে সকল বিষয়গুলি মনে রাখতে হবে
  • হয়তো অসুস্থ বোধ করবেন না কিন্তু হাইপারটেনশন খুব গুরুতর শারীরিক সমস্যা এবং তার চিকিৎসা দরকার।
  • রক্তচাপ ওষুধের মাধ্যমে কমানো যায় এবং ওষুধ না খেলে আবার বেড়ে যেতে পারে।
  • প্রতিদিন একই সময় ওষুধ খেতে চেষ্টা করুন- যেমন, সকালে দাঁত ব্রাশ করার পর বা সন্ধ্যায়।
  • ওজন কমে যাওয়া, নুন ও মদ্যপান কম করা, এবং ব্যায়াম করা সহায়ক হতে পারে কিন্তু শুধুমাত্র ডাক্তার পরামর্শ দিলেই সেগুলি ওষুধের পরিবর্ত হিসাবে ব্যবহৃত হবে।
  • উচ্চ রক্ত চাপ থেকে অনেক গুরুতর অসুখ করতে পারে যার মধ্যে পড়ে, স্ট্রোক, হৃদরোগ এবং কিডনি ফেলিওর। আপনি এই সমস্ত সমস্যা বাড়ার ঝুঁকির থেকে মুক্তি পেতে পারেন সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে। নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করান এবং উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা চিহ্নিত করান, ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।
  Copyright 2015-AIIMS. All Rights reserved Visitor No. - Website Hit Counter Powered by VMC Management Consulting Pvt. Ltd.