OLD AGE SOLUTIONS

Portal on Technology Initiative for Disabled and Elderly
An Initiative of Ministry of Science & Technology (Govt. of India)
Brought to you by All India Institute of Medical Sciences

শারীরিক স্বাস্থ্য

মানসিক স্বাস্থ্য

পুষ্টি

স্বাস্থ্য প্রবন্ধন

ওষুধগুলি জীবনের অঙ্গ, যৌবনে তার প্রয়োজন কম। কিন্তু বয়সকালে ওষুধের প্রয়োজন বেড়ে যায়। ওষুধের মাত্রা হয়তো কম হয়ে যাবে কারণ এই সময় বৃক্ক ও যকৃৎ কম ভাল ভাবে কাজ করে, যাতে তারা কর্মক্ষম বেশীক্ষণ ধরে থাকতে পারে। এগুলি খুবই স্বাভাবিক এবং নির্দেশিত মাত্রার বেশী ওষুধ নেবেন না। ওষধ সেবন সম্পর্কিত কিছু নির্দেশিকা এই অধ্যায়ে দেওয়া হল।


ওষুধের নাম

অধিকাংশ ওষুধের দুটি নাম আছে। ব্র্যান্ড নাম বা ব্যবসায়িক নাম হল যে নাম তার উৎপাদনকারী দেয়, অন্যদিকে মান্যতাপ্রাপ্ত নাম বা ফার্মাকোলজিকাল নাম হল তার উপাদানের নাম। কোন ব্র্যান্ডের ওষুধ ব্যবহৃত হচ্ছে তা গুরুত্বপূর্ণ হয়; কিন্তু ব্র্যান্ড পরিবর্তন না করাই ভাল। যখনই নতুন ওষুধ কিনবেন দয়া করে মান্যতাপ্রাপ্ত নাম দেখে নিন যাতে ইতিমধ্যেই যে ওষুধ নিচ্ছেন তা যেন না নেন। ওভার দ্য কাউন্টার ওষুধ কেনার সময়, ওষুধের দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করেনেবেন যে সেটি আপনার নির্দেশিত ওষুধের সঙ্গে মেলে কি না।


পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম করা

এমন কোন ওষুধ নেই যার কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না, কিন্তু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘটবেই এমন কোন কথা নেই। কিছু সুরক্ষা ব্যবস্থা নিলে ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম হতে পারে।

  • আপনি যদি কোন লক্ষ্মণ অনুভব করেন যা আপনার মতে ওষুধের কারণে হয়েছে তাহলে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
  • পেট খারাপ কম করা যেতে পারে যদি ওষুধ খাবারের পর খাওয়া হয়, যদি না অন্য কোন নির্দেশ দেওয়া হয়ে থাকে। হালকা পেটে অস্বস্তি মেনে নেওয়া ভাল যেমন হালকা মাথাঘোরা বা ডাইরিয়া হওয়া যাতে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকরিতা সম্পূর্ণ হয়।
  • কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বর্জন করা যেতে পারে মাত্রা এবং ওষুধ সেবনের পন্থার সামান্য পরিবর্তন করে।

সুরক্ষিত রাখা

কখনই অন্যের সঙ্গে ওষুধ ভাগ করে নেবেন না। সবসময় ওষুধ বাচ্চাদের থেকে দূরে রাখুন, যদি মাঝে সাঁঝেও বাচ্চা বাড়িতে আসে তাও। ওষুধ ঠাণ্ডা ও শুকনো জায়গায় ওষুধ রাখুন বেশীদিন রাখার জন্য।


এক্সপায়ার করার আগে ব্যবহার করুন

খাবারের মতই ওষুধেরও জীবনকাল আছে, যে সময়ের মধ্যে তারা ভাল থাকে। সেই কারণে কম করে ওষুধ কিনুন এবং ব্যবহারের দিন শেষ হয়ে যাবার (এক্সপায়ারি) যে ওষুধ ব্যবহার করা না হয়। ক্রিম এবং অয়েন্টমেন্টের নীচে তারিখ লেখা থাকে। আপনি যদি ওষুধের কন্টেনারে তারিখ না খুঁজে পান তাহলে ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট ১ বছর এবং তরল ওষুধ ৬ মাসের বেশী রাখবেন না।

আপনি সময় শেষ হয়ে যাওয়া ওষুধ নষ্ট করে ফেলতে পারেন এবং প্রয়োজনে লাগতে পারে বলে রেখে দেবেন না।

ওষুধ নিতে মনে রাখা

কখনো কখনো ওষুধ নেবার কথা মনে রাখা যায় না। ওষুধ নেবার সময় নিজের সুবিধা মতো সাজিয়ে নিন। খাবার সময় ওষুধ নেওয়া সব সময় ভাল, কারণ হাতের কাছেই পানীয় থাকে। যদি নির্দেশ থাকে খালিপেটে ওষুধ খেতে তাহলে খাবার খাবার ১ ঘণ্টা আগে খাবেন। এগুলি সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের জন্য প্রযোজ্য।

ড্রপ, ক্রিম ও ইনহেলার

চোখ, কান ও নাকের ড্রপ ট্যাবলেট বা ক্যাপসুলের মতোই ব্যবহার করা উচিত কারণ এর থেকেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। আপনার ড্রপ অন্যকে ব্যবহার করতে দেবেন না। চোখের ড্রপ একবার খুললে, এক মাসের বেশী ব্যবহার করবেন না। চোখে ড্রপ দেবার সময় চোখে হাত দেবেন না। ক্রিম বা অয়েন্টমেন্টও ওষুধ এবং সাবধানে রাখতে হবে। ক্রিম বা অয়েন্টমেন্ট ব্যবহারের আগে ও পরে সব সময় হাত ধুয়ে নেবেন।

ইনহেলার ওষুধ গ্রহণ করার আধুনিক ব্যবস্থা যেখানে হালকা ধোঁয়া হিসাবে ফুসফুসে প্রবেশ করে শ্বাস নেবার সুবিধার জন্য। কিন্তু পাফারটি চাপ দেওয়া এবং একই সময়ে শ্বাস নেওয়া সব সময় সহজ নয়। অনেকেই এটি করতে পারেন না। অন্যভাবে, আপনি ইনহেলারের সঙ্গে স্পেসার ব্যবহার করতে পারেন যা ব্যবহার করা অনেক সহজ। আপনার ইনহেলার নিয়ে সমস্যা থাকলে ডাক্তারের থেকে শিখে নিন।


পুনর্ব্যবহারের নির্দেশ

আপনি যদি নিয়মিত ওষুধ নিচ্ছেন, তাহলে একি ওষুধ আবার ব্যবহার করতে পারেন ডাক্তারের কাছে না গিয়েও। কিন্তু নিয়মিত ব্যবধানে ডাক্তারের কাছে যাওয়া নিশ্চিত করুন। হয়তো আপনার ওষুধের প্রয়োজন নেই বা মাত্রার পরিবর্তন করতে হবে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি কম করার জন্যও সাক্ষাত প্রয়োজন। যদি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুভূত হয় তাহএল ডাক্তারকে জানানো অবশ্যই উচিত। এই সব জিনিসগুলি ভুলে যাওয়া সহজ, তাই প্রশ্নগুলি লিখে রাখুন যাতে আলোচনার সময় সেগুলি করা যায়।


করণীয় ও অকরণীয়-র সংক্ষিপ্ত সার
  • খাবারের সঙ্গে বা তার একটু পরেই ওষুধ খান (যদি না অন্য নির্দেশ থাকে) উপাদানগুলি মিলিয়ে নিন যাতে একই জিনিস দুবার ব্যবহৃত না হয়।
  • একই ব্র্যান্ডের ওষুধ ব্যবহার করুন পুনর্ব্যবহারের সময়।
  • নিয়মিত ডাক্তারের সাক্ষাত করুন অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন যাতে না হয় তাই।
  • ওষুধ সেবনের নির্দেশিকা বুঝে নিন।
  • ওষুধের লেবেলে লেখা মাত্রার থেকে বেশী মাত্রার ওষুধ নেবেন না।
  • নিজের ওষুধ অন্যকে ব্যবহার করতে দেবেন না প্রয়োজনের থেকে বেশী সময় ধরে ওষুধ জমা করে রাখবেন না।
  Copyright 2015-AIIMS. All Rights reserved Visitor No. - Website Hit Counter Powered by VMC Management Consulting Pvt. Ltd.