OLD AGE SOLUTIONS

Portal on Technology Initiative for Disabled and Elderly
An Initiative of Ministry of Science & Technology (Govt. of India)
Brought to you by All India Institute of Medical Sciences

শারীরিক স্বাস্থ্য


মানসিক স্বাস্থ্য



পুষ্টি



বয়স্কদের পুষ্টি বিষয়ক চিন্তাভাবনা



বয়স্কদের পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা



বয়স্কদের জীবনশৈলীর পরিবর্তনকারী ডায়েট নির্দেশিকা



পুষ্টির সম্ভাব্য কম বা বেশী হওয়া



পুষ্টির পরিস্থিতির বিশ্লেষণের পদ্ধতি



বিশেষ অসুখের ক্ষেত্রে ডায়েট নিয়ন্ত্রণ



খাদ্য পিরামিড



কিভাবে একটি সহজ ডায়েট বানানো যায়



বৃদ্ধ বয়সে স্বাস্থ্যকর খাদ্যের নির্দেশিকা


বয়স্কদের পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা

সুস্থ শরীর বজায় রাখার জন্য সাধারণ পুষ্টির প্রয়োজন সারাজীবন ধরেই থাকে যদিও বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির দরকার আর থেক না। ভাল পুষ্টি অসুস্থতা, সার্জারি বা ভাঙা হাড়এর থেকে সুস্থ হতে সাহায্য করে এবং সাধারণত জীবনশৈলীর উন্নতি ঘটায় বর্ধিত জীবনকালের সঙ্গে। এটাই আশা করা হয় যে একজন ৫১ বছর বয়স্ক ব্যক্তির পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা ৬০, ৭০, ৮০ এবং ৯০ বছর বয়স্কদের থেকে আলাদা হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য নেই বলে এবং আরও নির্দিষ্ট করে বয়সের শ্রেণীবিভাগের প্রয়োজনীয়তার জন্য ডায়েট সম্পর্কিত পরামর্শ সম্পূর্ণ হতে পারে না কারণ যদিও তারা বয়স্ক ব্যক্তিদের পুষ্টির উপর গবেষণার উপর নির্ভর করে তৈরী হয় না বরং আরও কমবয়সীদের উপর করা গবেষণার ভিত্তিতে হয় এবং স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিদের উপর করা হয় ও দীর্ঘকালীন অসুখ বা ওষুধের ব্যবহার মাথায় রাখা হয় না। বয়স বাড়ার সঙ্গে উদ্দীপনা ও শক্তির ক্ষয় হয় এবং ফলে পেশী ও হাড়ের ক্ষয় হয় এবং শারীরিক ফ্যাটের অনুপাত বাড়ে ফলে রেস্টিং এনার্জি এক্সপেন্ডিচার বাড়ে। শারীরিক ক্রিয়াও বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কমে আসে, হাড় এবং গ্রন্থির ব্যথা এবং ভঙ্গিমার অস্থিরতা ইত্যাদির জন্য। সেই কারণে আর ই ই কমে যাওয়ার ফলে কার্যক্ষমতা কমে যায় তাই শক্তির প্রয়োজনও কমে যায়। কিন্তু এই সকল পরিবর্তন বিভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে দেখা যায়, এবং বয়স ক্যালোরির প্রয়োজনীয়তার সঠিক পূর্বাভাষ দেয় না।


সুস্থ ভাবে বয়স বাড়ার ডায়েট সম্পর্কিত নীতি

বয়স্ক ব্যক্তিদের ভাগ করা যায়-সাধারণ বয়স্ক, দূর্বল বয়স্ক এবং দীর্ঘস্থায়ীভাবে অসুস্থ এই তিন ভাগে। প্রতিটি গ্রুপের বিশেষ পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা আছে। আরও অনেক ফ্যাক্টর এই সকল বয়স্ক ব্যক্তির ডায়েটের উপর প্রভাব রাখেঃ বয়স, লিঙ্গ, পরিবেশ, মানসিক এবং শারীরিক অবস্থা, যে ওষুধ নিতে হবে এবং সামাজিক সহায়তা।

সাধারণ বয়স্কদের পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা কম বয়সীদের তুলনায় খুব বেশী ফারাক হয় না, খালি বিশেষ কিছু পুষ্টিকর পদার্থ ছাড়া। ক্যালসিয়াম, ফোলেট এবং জিঙ্ক এই বয়সে অনেক সময় কম দেখা যায়, এবং দুধ ও দুগ্ধজাত পদার্থ থেকে পাওয়া যায়। ফোলেট পাওয়া যায় সবুজ পাতাওলা সবজি ও ফলে, এবং জিঙ্ক লাল মাংস, মাছ এবং দানাশস্যতে পাওয়া যায়।

দূর্বল বয়স্কদের অন্যদের তুলনায় ভিন্ন ধরণের পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা থাকে এবং অপুষ্টি থেকে তাদের ভোগার অনেক বেশী সম্ভাবনা থাকে। দুর্বলতার পুষ্টিগত কারণের ভিতর আছে খিদে না পাওয়া, কম খাওয়া, অনিচ্ছাকৃত ওজন কমে যাওয়া এবং স্যার্কোপেনিয়া (পেশী এবং শক্তির ধীরে ধীরে কম হয়ে যাওয়া)।

যে সকল বয়স্ক ব্যক্তি দীর্ঘকালীন অসুস্থতায় ভুগছেন যেমন হৃদরোগ বা উচ্চর রক্ত চাপ, তাদের জন্য বিশেষ পুষ্টির প্রয়োজন আছে। উদাহরণ স্বরূপ করোনারি হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত ফ্যাট কম করার পরামর্শ দেওয়া হয়- লাল মাংস, ঘি, মাখন, ক্রিম, নারিকেল তেল ইত্যাদি না খেয়ে তন্তু বেশি খাওয়া যেমন দানা শস্য এবং ডাল, ফল এবং সবজি ইত্যাদি যাতে ভাল ওজন বজায় থাকে।

হাইপার টেনশন সামলাতে ওজন কম করতে, নুন কম খেতে এবং দৈনন্দিন ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার এবং ফল ও সবজি বেশী খেতে পরামর্শ দেওয়া হয়।
একটি ভারসাম্যযুক্ত ডায়েটে সমস্ত ধরণের খাদ্য শ্রেণী থেকে ভিন্ন ভিন্ন খাবার রাখলে তা মানসিক এবং শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকার জন্য অনেক ভাল পদক্ষেপ। এর ফলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে এবং তাহলে অসুস্থতা কম হবে এবং বর্তমান শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বজায় থাকবে।

ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ডায়েট একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষার ভূমিকা পালন করে। প্রচুর ফল এবং সবজি, যাতে ফাইটো কেমিক্যালস আছে তা খাওয়া এবং অতিরিক্ত ফ্যাট বর্জন করা ক্যান্সারের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সুরক্ষা প্রদান করে।


  Copyright 2015-AIIMS. All Rights reserved Visitor No. - Website Hit Counter Powered by VMC Management Consulting Pvt. Ltd.